Tathyojora.news সিউলে সিলভার মেডেল জিতলো বাংলাদেশের ক্যালিব্রেটর-জেড - Tathyojora.news

সিউলে সিলভার মেডেল জিতলো বাংলাদেশের ক্যালিব্রেটর-জেড


নিজস্ব প্রতিবেদক ডিসেম্বর ১১, ২০২৫, ২:৩৬ PM
সিউলে সিলভার মেডেল জিতলো বাংলাদেশের ক্যালিব্রেটর-জেড

সিউল আন্তর্জাতিক উদ্ভাবন মেলা (SIIF) ২০২৫-এ সিলভার মেডেল জিতলো বাংলাদেশের ক্যালিব্রেটর-জেড। বিশ্বের বৃহত্তম উদ্ভাবনী এই প্রদর্শনীতে রূপালী পদক জিতে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের পতাকা উড়িয়েছে তরুণ উদ্ভাবকদের এই দলটি। প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের বৈশ্বিক মঞ্চে এটি বাংলাদেশের জন্য এক অনন্য গৌরব। ৩-৬ ডিসেম্বর দক্ষিণ কোরিয়ার সিউলের COEX Hall C-তে অনুষ্ঠিত এই মেলায় অংশ নেয় ১৯টি দেশের প্রায় ৬০০ দল, বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রতিষ্ঠান। এই বিশাল আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের একমাত্র প্রতিনিধি ছিল ক্যালিব্রেটর-জেড। হ্যামকো ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড-এর পৃষ্ঠপোষকতায় দলটি প্রদর্শন করে তাদের উদ্ভাবনী পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি Bluewave Clean Tech, যা বিচারকদের বিশেষ প্রশংসা কুড়িয়ে এনে দেয় সিলভার মেডেল। দলটির নেতৃত্বে ছিলেন আব্দুল্লাহ ইবনে হাসান (টিম লিড), মোঃ মারুফ মিয়া (কো-লিড) এবং জারিফ আহমেদ (কেন্ট স্টেট ইউনিভার্সিটি)। সঙ্গে ছিলেন জায়েদ আবদুল্লাহ, খালিদ বিন ওয়ালিদ, ইসতিয়াক আহমেদ (আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ), অবির হোসেন, মোঃ জাকারিয়া মিয়া এবং সামির আহমাদ।

টিম লিড আব্দুল্লাহ ইবনে হাসান বলেন, অভিজ্ঞ আন্তর্জাতিক উদ্ভাবকদের পাশাপাশিই আমরা ছিলাম সবচেয়ে তরুণ দল। এই অর্জন শুধু ক্যালিব্রেটর-জেড বা আমাদের নয় এটি বাংলাদেশের উদীয়মান উদ্ভাবনী শক্তির এক ঐতিহাসিক বিজয়।

কো-লিড মারুফ মিয়া বলেন, রূপালী পদকটি আমাদের মাসের পর মাসের নিরলস পরীক্ষানিরীক্ষা, জেগে থাকা রাত আর দলীয় ঐক্যের ফল। এটি বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের তরুণদের সামর্থ্য নতুনভাবে তুলে ধরেছে। SIIF 2025 আয়োজন করেছে কোরিয়ার ইন্টেলেকচুয়াল প্রপার্টি মন্ত্রণালয় (MOIP)। পরিচালনায় ছিল কোরিয়া ইনভেনশন প্রমোশন অ্যাসোসিয়েশন (KIPA)। সহায়তা করেছে WIPO ও IFIA। অংশ নিয়েছে USA, জার্মানি, সৌদি আরব, পোল্যান্ডসহ বিভিন্ন স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান ও বিশ্ববিদ্যালয়। হ্যামকো ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড-এর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে ক্যালিব্রেটর-জেড জানিয়েছে এই সহযোগিতাই তাদেরকে আন্তর্জাতিক মঞ্চে নিজেদের সেরা উদ্ভাবন তুলে ধরার সুযোগ দিয়েছে। তাদের এই সাফল্য প্রমাণ করছে বাংলাদেশের তরুণরাও বৈশ্বিক উদ্ভাবনে শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করছে।