Tathyojora.news বিশ্বশান্তির প্রার্থনায় রমনা কালী মন্দিরে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীদের শান্তি যজ্ঞ - Tathyojora.news

বিশ্বশান্তির প্রার্থনায় রমনা কালী মন্দিরে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীদের শান্তি যজ্ঞ


নিজস্ব প্রতিবেদক অগাস্ট ৭, ২০২৬, ৯:২২ PM
বিশ্বশান্তির প্রার্থনায় রমনা কালী মন্দিরে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীদের শান্তি যজ্ঞ

শান্তি, সম্প্রীতি ও মানবকল্যাণের প্রত্যাশায় রাজধানীর ঐতিহাসিক শ্রী শ্রী রমনা কালী মন্দির ও শ্রীমা আনন্দময়ী আশ্রমে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘পবিত্র শান্তি যজ্ঞ-২০২৬’। ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির সনাতনী শিক্ষার্থীদের সংগঠন সনাতনী স্টুডেন্টস ইউনিটি ফোরাম (ডিসিইউএসইউএফ) এ আয়োজন করে।

শুক্রবার (৭ আগস্ট) সকাল ৯টায় শুরু হওয়া এ ধর্মীয় ও সামাজিক আয়োজন চলে প্রায় দুই ঘণ্টা। তবে পুরো অনুষ্ঠান ছিল প্রায় পাঁচ ঘণ্টাব্যাপী। এতে মঙ্গলঘট স্থাপন, বৈদিক যজ্ঞ, আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা এবং মহাপ্রসাদ বিতরণের আয়োজন করা হয়।

আয়োজকদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, শান্তি যজ্ঞে অংশ নেন প্রায় ২০০ জন। এর মধ্যে সাত কলেজের প্রায় ১৫০ জন সনাতনী শিক্ষার্থী এবং অর্ধশতাধিক ভক্ত উপস্থিত ছিলেন। তিনজন পুরোহিতের পরিচালনায় সম্পন্ন হয় যজ্ঞের আনুষ্ঠানিকতা। অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা কলেজের বাংলা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক প্রতিমোহন বিশ্বাস।

আয়োজকরা জানান, ধর্ম-বর্ণের বিভেদ ভুলে বিশ্বশান্তি, মানবকল্যাণ ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বার্তা ছড়িয়ে দেওয়াই ছিল এ আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য। পাশাপাশি ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ পুরো বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের শান্তি, সমৃদ্ধি ও মঙ্গল কামনা করা হয়।

অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া কবি নজরুল সরকারি কলেজের বাংলা বিভাগের ২০২১–২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী সুসমিতা সরকার বলেন,
“ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ সমগ্র বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সার্বিক কল্যাণ, শান্তি, সমৃদ্ধি ও মঙ্গল কামনায় এই সমন্বিত শান্তি যজ্ঞানুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “যজ্ঞ কেবল একটি ধর্মীয় আচার নয়, এটি শান্তি, ঐক্য, শুভবোধ ও মানবকল্যাণের প্রতীক। আমরা প্রার্থনা করেছি, যেন পরমেশ্বর বিশ্ববিদ্যালয়কে জ্ঞান, নৈতিকতা, সৌহার্দ্য ও মানবিক মূল্যবোধে সমৃদ্ধ করেন এবং সবার জীবনে শান্তি, সুস্বাস্থ্য ও সফলতা নিয়ে আসেন।”

আয়োজকদের প্রত্যাশা, শান্তি যজ্ঞের মতো উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহমর্মিতা ও সম্প্রীতির চর্চা আরও শক্তিশালী করবে। একই সঙ্গে এটি একটি মানবিক, সৌহার্দ্যপূর্ণ ও ইতিবাচক বিশ্ববিদ্যালয় পরিবেশ গড়ে তুলতে ভূমিকা রাখবে।